উত্তরদিনাজপুর

পুকুর থেকে গৃহবধূর পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য রায়গঞ্জে

এক গৃহবধূর মৃতদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার  রায়গঞ্জ থানার বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তরা গ্রামে। মৃতা গৃহবধূ নাম মমতা খাতুন। মৃতের বাপের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে খুন করে পুকুরে ফেলে দিয়ে গিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা। তার মেয়েকে খুন করে মেরে ফেলার অভিযোগে স্বামী, শ্বাশুড়ী, ভাসুর, জা সহ সাতজনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতার বাবা আবদুল লতিফ। ঘটনার তদন্তে পুলিশ। 

        জানা গিয়েছে, বিন্দোল গ্রামপঞ্চায়েতের অন্তরা গ্রামের বাসিন্দা মমতা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়েছিল কর্নজোরা পিরোজপুরের বাসিন্দা মহিমুদ্দিন শেখের। মৃত মমতা খাতুনের দাদা গোলাম রব্বানীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মাঝে মধ্যেই স্ত্রী মমতাকে বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলত স্বামী মহিমুদ্দিন। টাকা না আনতে পারলেই মমতার উপর শারীরিক নির্যাত্ন চালাতো স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। মৃতা গৃহবধূ মমতার দাদা গোলাম রব্বানী আরও বলেন " গত মাসে ২৬ শে অক্টোবর বোন বাড়িতে এসেছিল। বাবা তার হাতে কিছু টাকাও তুলে দেয়। সেদিনই সে শ্বশুরবাড়ি চলে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আমাদের গ্রামের কিছু লোক আমাকে জানায় আমার বোন মমতার মৃতদেহ বিন্দোল এলাকার একটি পুকুরে ভাসছে। আমি ও বাড়ির লোক গিয়ে দেখি বোনের পচাগলা মৃতদেহ ভাসছে পুকুরে। বোনের স্বামী মহিমুদ্দিন ও তার পরিবারের লোকেরা মমতাকে মেরে এখানে ফেলে দিয়ে গিয়েছে। আমরা মমতার স্বামী মহিমুদ্দিন শেখ, ভাসুর মকসেদ আলি, মুনসেফ আলি, মোস্তাক আলি, শ্বাশুড়ি মোমেনা বেওয়া এবং দুই জা সহ সাত জনের বিরুদ্ধে রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমাদের দাবি বোনের খুনিদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।